কিভাবে বুঝবেন আপনার শিশু বাচ্চার ওজন এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটছে কি না? জেনে নিন


শিশু বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে ওজন এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে থাকে। আর এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যদি ব্যহত হয় তাহলে তা সত্যি শিশু বাচ্চার জন্য খারাপ হয়ে থাকে। একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে আমাদের সকলকে শিশু বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশু বাচ্চার ওজন স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ কোনগুলো তা অবশ্যই জানতে হবে। তাই এই লেখাটিতে শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি কি? শিশু বাচ্চার বিকাশ কি?  শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যা প্রয়োজন, শিশু বাচ্চা মায়ের গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন মায়ের যেসব রোগ থাকা যাবে না, প্রসবোত্তর পর মা ও শিশু বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য করণীয়গুলো, শিশু বাচ্চার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসমূহের বৃদ্ধিকাল, শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি মাপার উপায়, শিশু বাচ্চার বডি মাস ইনডেক্স নির্ণয় করার সূত্র, শিশু বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে কতটুকু ওজন থাকা ভালো? শিশু বাচ্চার দৈর্ঘ্য, মাথার ব্যাস, মস্তিষ্কের বৃদ্ধির স্বরূপ, শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি ও বিকাশ এ দেরী হবার লক্ষণ, বিভিন্ন বয়সে নবজাতক ও শিশু বাচ্চাদের বৃদ্ধি / কথা বলা / স্বাভাবিক সামাজিক বিবরণ ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে খুব সুন্দরভাবে সহজবোধ্য করে আলোচনা করা হয়েছে। চলুন এখনই শিশু বাচ্চার ওজন এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই ...

কিভাবে বুঝবেন আপনার শিশু বাচ্চার ওজন এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটছে কি না? জেনে নিন

পেজ সূচিপত্রঃ


শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি কি?

শিশু বাচ্চার বয়সের সাথে অঙ্গসমূহ এবং শারীরিক আকৃতি বাড়াকে বলা হয় বৃদ্ধি।

শিশু বাচ্চার বিকাশ কি?

বিকাশ হচ্ছে কার্যক্ষেত্রে পরিপূর্ণতা অর্জন। শিশু বাচ্চা বিভিন্ন বিষয় বুঝতে শিখে, রাগ অনুরাগ, মতামত সামাজিক কর্মকান্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করে।

শিশু বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যা প্রয়োজন ঃ

গর্ভাবস্থায়ঃ

  • মায়ের সঠিক পুষ্টি।
  • গর্ভবর্তী মায়ের নিরোগ থাকা, বিশেষ করে রুবেলা, সিফিলিস, হেপাটাইটিস, যক্ষ্মা রোগের সংক্রমন না থাকা।
  • মায়ের হরমোন জনিত অসুখ না থাকা বিশেষ করে থাইরয়েড ও ডায়াবেটিস না থাকা।

প্রসবোত্তর সময়ঃ

  • মায়ের বুকের দুধ পরিমাণ মত অন্তত ১ বৎসর পর্যন্ত পাওয়া। 
  • সঠিক পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, মা ও শিশু বাচ্চা উভয়ের।
  • শিশু বাচ্চার মস্তিস্কে আঘাতপ্রাপ্ত না হওয়া (বিশেষ করে প্রসবের সময়)।
  • বিভিন্ন রকম সংক্রমনে আক্রান্ত না হওয়া, যেমনঃ ডাইরিয়া, কৃমি, যক্ষা ইত্যাদি।
  • সামাজিক অবস্থা ও পরিবেশঃ  উন্নত অধিক অবস্থা ও ভালো পরিবারের শিশু বাচ্চার বিকাশ ও বৃদ্ধি ভালো হয়।
  • আবহাওয়াঃ গরম আবহাওয়া যুক্ত দেশে রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী শিশু বাচ্চাদের মধ্যে, বিশেষ করে কৃমি, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি ও বিকাশ এ বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
  • ধর্মীয় ও কুসংস্কারঃ  বিভিন্ন কুসংস্কার আচ্ছন্নতা ও ধর্মীয় অযৌক্তিক গোড়ামীর জন্য শিশু বাচ্চার বিকাশ ব্যাহত হতে পারে, যেমন- অনেক স্থানে / গোত্রে শালদুধ শিশু বাচ্চাকে খেতে দেয় না।
  • আবেগ ও পারিবারিক অবস্থাঃ  পারিবারিক সুস্থ পরিবেশ শিশু বাচ্চার বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরী। বাবা মায়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো না থাকলে বা ডিভোর্স হয়ে গেলে, সে সব শিশু বাচ্চার বিকাশ মানসিক সমস্যাযুক্ত হয়।

শিশু বাচ্চার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসমূহের বৃদ্ধিকাল ঃ

মস্তিস্কের বৃদ্ধিঃ  ৯০% সম্পূর্ণ, ৩ বছরের মধ্যে।

জনেন্দ্রিয় বৃদ্ধিঃ  ৯০% বৃদ্ধি সমাপ্ত হয় ১৩-১৫ বছর বয়সে। 

দৈহিক বৃদ্ধিঃ  ১০০% সম্পন্ন হয় ১৮-২০ বছরে।

লসিকা গ্রন্থির বৃদ্ধিঃ  ১০০% হয় ৭ম বছরে, ১৮ বছর থেকে কমতে থাকে।

শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি মাপার উপায় ঃ

উচ্চতাঃ  ২ বছর বয়স থেকে ষ্টান্ডার্ড চার্ট অনুসারে শিশু বাচ্চার উচ্চতা তুলনা করে দেখতে হবে।

ওজনঃ  ওজনের স্কেল দিয়ে মেপে বয়স অনুযায়ী ষ্টান্ডার্ড ওজন কত আছে দেখে তুলনা করা যায়।

মাথার ব্যাসঃ  শিশু বাচ্চার মাথার অক্সিপুট থেকে নাকের গোড়া পর্যন্ত দুরূত্ব মাপতে হয়। জন্মের সময় ৩৫ সে.মি.।

বুকের ব্যাসঃ  বুকের বোটা (নিপল) বরাবর শ্বাস নেবার ও ছেড়ে দেবার মধ্য সময়ে বুকের মাপ নিতে হবে। 

  • জন্মের সময় এটা মাথার ব্যাস এর চেয়ে ২.৫ সে.মি কম। 
  • ৬-১২ মাসে সমান।
  • ১ বছর পর  ২.৫ সে.মি বেশী। 
  • ৫ বছর এ ৫ সে.মি বেশি।

বাহুর ব্যাসঃ  বাহুর মধ্যস্থানের ব্যাস মাপা হয়।

হাড়ের বয়স দেখে:  X-Ray করে বিভিন্ন হাড় কখন আসে দেখা যায়।

  • নবজাতকের : X Ray foot & knee
  • ১ বছরে শিশু বাচ্চার : X Ray shoulder
  • ১-১৩ বছর : X Ray Hand / wrist
  • ১২-১৫ বছর : X Ray elbow / hip.

শিশু বাচ্চার বডি মসি ইনডেক্স (Body Mass Index / BMI) নির্ণয় করার সূত্র ঃ

২ বছর বয়সের পর শিশু বাচ্চার স্থুলতা (Obesity) পরিমাপ করা যায় বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) নির্ণয় করার সূত্র দিয়ে। 

BMI = Weight (Kg) ÷ Height (m²)

দাঁতের বয়সঃ

শিশু বাচ্চাদের দাঁত উঠা ও পড়া দেখেও বয়স নির্ণয় করা যায়।

নবজাতক শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক ওজন ঃ

নবজাতকদের জন্মের ওজন ১ম এক সপ্তাহে প্রায় ১০% ভাগ হারায়। পুনরায় এটা বৃদ্ধি পায়। 

  • ১ম ৩ মাসে দৈনিক ২৫-৩০ গ্রাম বৃদ্ধি পায়।
  • ৩-৬ মাসে ২০ গ্রাম করে দৈনিক বৃদ্ধি পায়।
  • ৯-১২ মাসে বৃদ্ধি পায় প্রায় ১২ গ্রাম করে দৈনিক।
  • ৫ মাসে বাচ্চার ওজন জন্ম ওজনের দ্বিগুন হয়।
  • ১ বছরে বাচ্চার ওজন জন্ম ওজনের তিনগুন হয়।
  • ৩ বছরে বাচ্চার ওজন জন্ম ওজনের পাঁচগুন হয়।

নবজাতক শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য ঃ

  • জন্মের সময় ৫০ সে.মি।
  • ৩য় মাসে ৬০ সে.মি।
  • ৯ম মাসে ৭০ সে.মি।
  • ১২তম মাসে ৭৫ সে.মি।
  • ২ বছরে ৮৬-৮৭ সে.মি।
  • ৪ বছরে ১০০ সে.মি।
  • ১০ বছর পর্যন্ত বছরে ৫ সে.মি করে বাড়ে। 

নবজাতক শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক মাথার ব্যাস ঃ

  • জন্মের সময় ৩৩-৩৫ সে.মি. (প্রায়)।
  • ৩য় মাসে ৪০ সে.মি।
  • ১২ তম মাসে ৪৬ সে.মি।
  • ২য় বছরে ৪৯ সে.মি।
  • ৩য় বছরে ৫১ সে.মি।

শৈশবে শিশু বাচ্চার মস্তিস্ক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঃ

জাতিসংঘের ঘোষনা অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সীদেরকে শিশু বলা হয়।

শৈশব বলতে জন্মের পরবর্তী ৫ বছরকে বোঝায়। 

  • শিশু বাচ্চার মস্তিস্ক জন্মের সময় সম্পূর্ণ বিকশিত ও পূর্ণতা প্রাপ্ত থাকে না। 
  • অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে এর বিকাশ লাভ হয়।
  • মানুষের উন্নয়ন ও বৃদ্ধি হয় প্রকৃতি পরিবেশের সাথে ভাব আদান- প্রদানের মাধ্যমে ও চর্চার মাধ্যমে।
  • মানুষের মস্তিস্কের পরিবর্তন জন্মের প্রথম পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশী হয়।
  • এ সময়ে যে কোন আঘাত / রোগের জন্য মস্তিস্কের বৃদ্ধি বা বাধাপ্রাপ্ত হয়।

শিশু বাচ্চার বৃদ্ধি ও বিকাশ এ দেরী হবার লক্ষণ ঃ

  • ৩ মাস বয়সে যদি না হাসে।
  • ৫ মাসেও যদি ঘাড় শক্ত করে সোজা না হতে পারে।
  • ১২ মাসেও যদি সার্পোট ছাড়া বসতে না পারে।
  • ১৮ মাসেও যদি না ধরে একাকী দাঁড়াতে না পারে।
  • ২০ মাসের মধ্যে যদি ভালোভাবে হাঁটতে না পারে।
  • ১.৫ বছরের মধ্যে যদি ২-৩ শব্দের উচ্চারণ (বাবা, মা) না করতে পারে।
  • ২ বছরের মধ্যে যদি নিজের নাম বলতে না পারে।
  • ৫ বছরের মধ্যে যদি একাকী মলমূত্র ত্যাগ করা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। 

এ ধরণের শিশু বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য ডাক্তার দেখাতে হবে।

বিভিন্ন বয়সে নবজাতক ও শিশু বাচ্চাদের বৃদ্ধি / কথা বলা / স্বাভাবিক সামাজিক বিবরণ ঃ

জন্ম থেকে ৬ সপ্তাহের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • হাসবে এবং ডাক দিলে তাকাবে।
  • মায়ের কণ্ঠ চিনবে এবং কোলাহল হলে সেদিকে নজর দিবে। 
  • ৯০ ডিগ্রি পর্যন্ত, ঘার ঘুরিয়ে তাকাবে।

৬ থেকে ৯ মাসের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • গোসল ও খেলা উপভোগ করবে।
  • সামনে যা পাবে, মুখে দিয়ে চিবাবে।
  • ৯ মাসে বস্তুরদিকে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবে। 
  • মামা, দাদা, না বলবে।
  • হাত দিয়ে ধরবে । হামাগুড়ি দিবে। 
  • উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে।
  • বিছানায় গড়াগড়ি দিবে।

১২ মাসের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • টাটা দিবে। কিছু কথা বলবে।
  • বসতে পারবে। ধরে ধরে হাটতে পারবে। 
  • ডাক দিলে এগিয়ে আসবে।
  • লুকানো জিনিস খুজবে, মাথা নাড়বে।
  • চামুচ দিয়ে খেতে পারবে।
  • মুছতে পারবে।

১৮ মাসের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • ৬ শব্দ পর্যন্ত কথা বলতে পারবে।
  • শুনে শুনে কবিতা বলতে পারবে।
  • আঙ্গুল দিয়ে সুতা তুলতে পারবে। বইয়ের পাতা উল্টাতে পারবে।
  • কাপ হাত দিয়ে তুলে পানি / দুধ পান করবে রাখতে পারবে।
  • নোংরা ন্যাপী টেনে খুলবে।
  • একা একা হাটবে। চেয়ার বেয়ে উঠার চেষ্টা করবে।

২ থেকে ২.৫ বছরের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • একা একা খেলাধুলা করবে।
  • নিজেই জুতা, মোজা, প্যান্ট পড়বে।
  • চামুচ, কাটা চামুচ ব্যবহার করতে হবে।
  • স্বাচ্ছন্দে কথা বলতে পারবে।
  • একটা একটা করে পৃষ্ঠা উল্টাতে পারবে ।
  • সোজা, বাকা, দাগ, গোলাকৃতি আঁকতে পারবে।
  • পা দিয়ে সাইকেল ঠেলতে পারবে।
  • সিড়ি দিয়ে নামতে উঠতে পারবে। বলে লাথি মারতে পারবে। লাফ দিয়ে দৌড়াতে পারবে।

৩ থেকে ৩.৫ বছরের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • একা একা শৌচকর্ম সারতে পারবে।
  • সহজে ছড়া আবৃত্তি করতে পারবে।
  •  ছুড়ি, কাটা চামচ দিয়ে খেতে পারবে।
  • নিজের নাম, বাবার নাম বলতে পারবে।
  • ১-১০ পর্যন্ত গুনতে পারবে।
  • কলম / পেনসিল দিয়ে লিখতে পারবে।
  • বিভিন্ন রং চিনবে, শুন্য লিখতে পারবে সহজে ।
  • এক পায়ে ভারসাম্য নিয়ে দাঁড়াতে পারবে।
  •  তিন চাকায় সাইকেল চালাতে পারবে।
  • বড়দের মত সিড়ি দিয়ে উঠতে পারবে, সিড়ি থেকে লাফ দিতে পারবে।

৪ থেকে ৫ বছরের শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ হচ্ছে কিনা বুঝার উপায় ঃ

  • দলবদ্ধ হয়ে খেলবে। খেলনা ভাগাভাগি করে খেলবে। নিয়ম মানার অভ্যাস রপ্ত হবে।
  • টেলিফোনে কথা বলতে পারবে। নিজের জামা কাপড় জুতা পড়তে পারবে। বিভিন্ন মুদ্রার মান চিনবে, ১০-২০ পর্যন্ত গুনতে শিখবে।
  • ৪টি পর্যন্ত রং মিলাতে পারে।
  • মানুষ বা পশু আঁকতে পারবে।
  • সিড়ি, গাছ বেয়ে উপরে উঠতে পারে ।
  • বল ক্যাচ ধরতে পারে, স্কিপিং করতে পারবে ইত্যাদি।
শিশু বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের  উপরিউক্ত বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটা স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। যদি উপরিউক্ত প্রক্রিয়ার ব্যহত ঘটে তাহলে বুঝতে হবে শিশু বাচ্চার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটছে না। সেক্ষেত্রে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন
1 জন কমেন্ট করেছেন ইতোমধ্যে
  • Life
    Life 6:23 AM

    স্যার আপনার থেকে চিকিৎসা নিয়ে আমার বাচ্চা খুব ভালো আছে। অনেক ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম কিন্তু কোনো ভালো ফল পায়নি,অবশেষে অনলাইনে আপনাকে দেখালাম,দেখি কি হয় এই ভেবে। আসলে স্যার আপনি অনেক ভালো চিকিৎসা দিয়েছেন খুব অল্প ভিজিটে। স্যার আপনার কাছে আমি খুবিই খুবিই কৃতজ্ঞ। স্যার আপনি অনেক ভালো থাকবেন।

মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

ডা. মো. ইয়াছিন আহমেদ শরীফ । সিরিয়ালঃ ১

ডা. মো. ইয়াছিন আহমেদ শরীফ । সিরিয়ালঃ ২

ডা. মো. ইয়াছিন আহমেদ শরীফ । সিরিয়ালঃ ৩

ডা. মো. ইয়াছিন আহমেদ শরীফ । সিরিয়ালঃ ৪